দৈনিক সোজা সাপটা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গুলিতে নিহত হওয়া আলোচিত রাকিব হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে ফতুল্লা থানা

অব্যাহতির আবেদন নিয়ে সমালোচনা



অব্যাহতির আবেদন নিয়ে সমালোচনা
অব্যাহতির আবেদন নিয়ে সমালোচনা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গুলিতে নিহত হওয়া আলোচিত রাকিব হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল হক ও  ছাত্রলীগ, যুবলীগের পদধারী নেতাকর্মী সহ ৩৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন নিয়ে জেলার সর্ব মহলেই সমালোচনা শুরু হয়েছে।

গুঞ্জন রয়েছে কোটি টাকা বানিজ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের চূড়ান্ত প্রতিবদেন থেকে বাদ দিয়েছে।

বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার দিন ধার্য রয়েছে। তবে এ মামলার আরেকটি অংশ অর্থাৎ সাধারণ আসামিদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারকাজ সম্পন্ন হবে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছেন।

চলতি বছর মার্চ মাসে আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে মৃতদের আসামি করা হলেও জীবিত পদধারী আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের ৩৫ নেতাকে অব্যাহতি প্রদান করেছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা নারায়ণগঞ্জ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।  অপরদিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তিন জন মৃত ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়েছে। যার কারনে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। 

মৃতরা হলেন থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মৃত সাইফুল্লাহ বাদল,রোকন উদ্দিন মেম্বার,ছাত্রলীগ ক্যাডার রিয়াজ উদ্দিন বাবু।

জানাযায়, চব্বিশের গণ অভ্যুত্থান চলাকালীন ২০ জুলাই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের চাষাড়া অংশে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান ফতুল্লা দাপা এলাকার রাকিব। সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে নিহতের পিতা মো. মোশারফ বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন একই বছর ২৫ আগস্ট (মামলা নং-২৬)। সেই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১৯৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

চলতি বছর মার্চে নারায়ণগঞ্জ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ১৬৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এই মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে। তবে সিআইডির দেওয়া এই চার্জশিট নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, চার্জশিটে মৃত ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে, অথচ মাঠ পর্যায়ের প্রভাবশালী জীবিত আওয়ামী লীগ নেতাদের রহস্যজনকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চার্জশিটে এমন তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে যারা বেশ আগেই মারা গেছেন। এদের মধ্যে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর মারা যাওয়া ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল,  একই বছর ১০ ডিসেম্বর মারা যাওয়া কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নতো রোকন উদ্দিন ও চলতি বছর ৫ মার্চ মৃত্যুবরণ করা ছাত্রলীগ ক্যাডার রিয়াজ উদ্দিন বাবু। মৃতদের নাম চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করায় পুলিশের তদন্তের গভীরতা ও সততা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, আন্দোলনের সময় মাঠে সক্রিয় থাকা এবং এলাকায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা জীবিত নেতাদের এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অব্যাহতি প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন

ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোহাম্মদ শরীফুল হক,সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুজ্জামান মাসুদ, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর মেম্বার,  নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বি প্রান্ত, কুতুবপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আল মামুন ভূঁইয়া মিন্টু, কুতুবপুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পারভেজ,  ও শ্রমিক লীগ নেতাটিক্কা, আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম চুন্নু,এহসান  চেয়ারম্যান,জাকির চেয়ারম্যান,জাহঙ্গীর মেম্বার সহ আরও একাধিক পদধারী নেতা। চার্জশিট অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতাদের অপরাধ প্রমান না হওয়া এবং ঠিকানা সঠিক না থাকার কথা উল্লেখ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। 

চার্জশিটে মৃত ব্যক্তিদের নাম থাকা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র ইন্সপেক্টর জয়নাল আবেদীন বলেন, তদন্ত চলাকালীন সময়ে মারা গেছেন কি না- সে ব্যাপারে আমাদের কেউ কিছু জানায়নি।

শীর্ষ কয়েকজন নেতাকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে জানান, কাগজ দেখা ছাড়া আমি এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারবো না।

পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ ও নিহতের পরিবারের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, মৃত ব্যক্তিদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে জীবিত অপরাধীদের বাঁচানোর এই অপচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এর আগেও পুলিশের পোশাক পরিবর্তন এবং কমিউনিটি পুলিশের সাথে যুক্ত করার মতো নানামুখী সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাদের কাজের গুণগত মান ও মানসিকতায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—সিআইডি কি কোনো রকম তদন্ত ছাড়াই টেবিল টক বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত হয়ে এই চার্জশিট তৈরি করেছে?

তবে কারো কারো মতে কোটি টাকার বানিজ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবু শরিফুল হক সহ শির্ষ পর্য়ায়ের নেতাকর্মীদের কে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


অব্যাহতির আবেদন নিয়ে সমালোচনা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুন ২০২৬

featured Image

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গুলিতে নিহত হওয়া আলোচিত রাকিব হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল হক ও  ছাত্রলীগ, যুবলীগের পদধারী নেতাকর্মী সহ ৩৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন নিয়ে জেলার সর্ব মহলেই সমালোচনা শুরু হয়েছে।

গুঞ্জন রয়েছে কোটি টাকা বানিজ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন আওয়ামী লীগ,যুবলীগ,ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের চূড়ান্ত প্রতিবদেন থেকে বাদ দিয়েছে।

বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হওয়ার দিন ধার্য রয়েছে। তবে এ মামলার আরেকটি অংশ অর্থাৎ সাধারণ আসামিদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারকাজ সম্পন্ন হবে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছেন।

চলতি বছর মার্চ মাসে আদালতে দাখিল করা চার্জশিটে মৃতদের আসামি করা হলেও জীবিত পদধারী আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের ৩৫ নেতাকে অব্যাহতি প্রদান করেছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা নারায়ণগঞ্জ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।  অপরদিকে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে তিন জন মৃত ব্যক্তির নাম দেওয়া হয়েছে। যার কারনে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। 

মৃতরা হলেন থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি মৃত সাইফুল্লাহ বাদল,রোকন উদ্দিন মেম্বার,ছাত্রলীগ ক্যাডার রিয়াজ উদ্দিন বাবু।

জানাযায়, চব্বিশের গণ অভ্যুত্থান চলাকালীন ২০ জুলাই ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের চাষাড়া অংশে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান ফতুল্লা দাপা এলাকার রাকিব। সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে নিহতের পিতা মো. মোশারফ বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন একই বছর ২৫ আগস্ট (মামলা নং-২৬)। সেই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১৯৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও শতাধিক আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

চলতি বছর মার্চে নারায়ণগঞ্জ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ১৬৬ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এই মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে। তবে সিআইডির দেওয়া এই চার্জশিট নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, চার্জশিটে মৃত ব্যক্তিদের অভিযুক্ত করা হয়েছে, অথচ মাঠ পর্যায়ের প্রভাবশালী জীবিত আওয়ামী লীগ নেতাদের রহস্যজনকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চার্জশিটে এমন তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে যারা বেশ আগেই মারা গেছেন। এদের মধ্যে ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর মারা যাওয়া ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ বাদল,  একই বছর ১০ ডিসেম্বর মারা যাওয়া কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নতো রোকন উদ্দিন ও চলতি বছর ৫ মার্চ মৃত্যুবরণ করা ছাত্রলীগ ক্যাডার রিয়াজ উদ্দিন বাবু। মৃতদের নাম চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করায় পুলিশের তদন্তের গভীরতা ও সততা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

অন্যদিকে, আন্দোলনের সময় মাঠে সক্রিয় থাকা এবং এলাকায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা জীবিত নেতাদের এই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অব্যাহতি প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন

ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু মোহাম্মদ শরীফুল হক,সোনারগাঁ থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুজ্জামান মাসুদ, কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর মেম্বার,  নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বি প্রান্ত, কুতুবপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আল মামুন ভূঁইয়া মিন্টু, কুতুবপুর ইউনিয়ন ৬নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পারভেজ,  ও শ্রমিক লীগ নেতাটিক্কা, আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম চুন্নু,এহসান  চেয়ারম্যান,জাকির চেয়ারম্যান,জাহঙ্গীর মেম্বার সহ আরও একাধিক পদধারী নেতা। চার্জশিট অব্যাহতিপ্রাপ্ত নেতাদের অপরাধ প্রমান না হওয়া এবং ঠিকানা সঠিক না থাকার কথা উল্লেখ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। 

চার্জশিটে মৃত ব্যক্তিদের নাম থাকা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি’র ইন্সপেক্টর জয়নাল আবেদীন বলেন, তদন্ত চলাকালীন সময়ে মারা গেছেন কি না- সে ব্যাপারে আমাদের কেউ কিছু জানায়নি।

শীর্ষ কয়েকজন নেতাকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর না দিয়ে জানান, কাগজ দেখা ছাড়া আমি এ ব্যাপারে কিছুই বলতে পারবো না।

পুলিশের এমন কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষ ও নিহতের পরিবারের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, মৃত ব্যক্তিদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে জীবিত অপরাধীদের বাঁচানোর এই অপচেষ্টা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এর আগেও পুলিশের পোশাক পরিবর্তন এবং কমিউনিটি পুলিশের সাথে যুক্ত করার মতো নানামুখী সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তাদের কাজের গুণগত মান ও মানসিকতায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন—সিআইডি কি কোনো রকম তদন্ত ছাড়াই টেবিল টক বা অন্য কোনোভাবে প্রভাবিত হয়ে এই চার্জশিট তৈরি করেছে?

তবে কারো কারো মতে কোটি টাকার বানিজ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আবু শরিফুল হক সহ শির্ষ পর্য়ায়ের নেতাকর্মীদের কে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে।



দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
অব্যাহতির আবেদন নিয়ে সমালোচনা
0:00 / 0:00
1x