দৈনিক সোজা সাপটা

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিজের কেনা জায়গায় ড্রেন নির্মাণ করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সৌদি প্রবাসী তাজুল ইসলাম (৫৮)।

বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ড্রেন করতে পারছেন না প্রবাসী তাজুল



বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ড্রেন করতে পারছেন না প্রবাসী তাজুল
বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ড্রেন করতে পারছেন না প্রবাসী তাজুল

 নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিজের কেনা জায়গায় ড্রেন নির্মাণ করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সৌদি প্রবাসী তাজুল ইসলাম (৫৮)। সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে ড্রেন নির্মাণে বাধা দিচ্ছে।


অভিযোগ উঠেছে, দ্বারে দ্বারে ঘুরে অবশেষে থানায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না এই প্রবাসী। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই নর্দমার নোংরা পানিতে পরিবার নিয়ে বন্দি থাকতে হচ্ছে তাঁকে।


‎উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার মৃত নান্নু মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম ২০১৬ সালে একই এলাকার ফখরুল ইসলাম মামুনের কাছ থেকে জমি কিনে রাস্তা তৈরি করেন। বর্তমানে তিনি সেই রাস্তায় নিজের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ বসাতে চাইলে বিক্রেতা মামুন ও তার সহযোগী শাহীনসহ ৪-৫ জন বাধা দেয়। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, ড্রেন করতে হলে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে।


‎ভুক্তভোগী তাজুল ইসলাম জানান, ড্রেন করতে না পারায় তাঁর বাড়িতে বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কোনো পথ নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো ঘরবাড়ি নোংরা পানিতে ডুবে যায়। পচা পানির দুর্গন্ধে এলাকায় রোগবালাই ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ৪ মে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বসানো হলেও বিবাদী মামুন ও শাহীন কোনো সিদ্ধান্ত মানেননি।


তাজুল ইসলামের অভিযোগ, বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরও অপরাধীরা পুলিশকেও তোয়াক্কা করছে না। বরং তাজুল ইসলামকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করতে তারা উল্টো আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে দেশের মাটিতে এমন জঘন্য চাঁদাবাজি ও হয়রানির শিকার হওয়ায় তিনি এখন চরম হতাশ ও ভীত।


‎‎এলাকাবাসী বলছেন, নিজের কেনা জায়গায় ড্রেন নির্মাণ করতে বাধা দেওয়া এবং ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। তারা অবিলম্বে এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের হাত থেকে প্রবাসীকে মুক্ত করতে এবং পানিবন্দি অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামুনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোনকল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। যার কারণে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ড্রেন করতে পারছেন না প্রবাসী তাজুল

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image

 নারায়ণগঞ্জের বন্দরে নিজের কেনা জায়গায় ড্রেন নির্মাণ করতে না পেরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সৌদি প্রবাসী তাজুল ইসলাম (৫৮)। সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে ড্রেন নির্মাণে বাধা দিচ্ছে।


অভিযোগ উঠেছে, দ্বারে দ্বারে ঘুরে অবশেষে থানায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না এই প্রবাসী। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই নর্দমার নোংরা পানিতে পরিবার নিয়ে বন্দি থাকতে হচ্ছে তাঁকে।


‎উপজেলার আমিরাবাদ এলাকার মৃত নান্নু মিয়ার ছেলে তাজুল ইসলাম ২০১৬ সালে একই এলাকার ফখরুল ইসলাম মামুনের কাছ থেকে জমি কিনে রাস্তা তৈরি করেন। বর্তমানে তিনি সেই রাস্তায় নিজের বাড়ির পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ বসাতে চাইলে বিক্রেতা মামুন ও তার সহযোগী শাহীনসহ ৪-৫ জন বাধা দেয়। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, ড্রেন করতে হলে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে।


‎ভুক্তভোগী তাজুল ইসলাম জানান, ড্রেন করতে না পারায় তাঁর বাড়িতে বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কোনো পথ নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো ঘরবাড়ি নোংরা পানিতে ডুবে যায়। পচা পানির দুর্গন্ধে এলাকায় রোগবালাই ছড়ানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ৪ মে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বসানো হলেও বিবাদী মামুন ও শাহীন কোনো সিদ্ধান্ত মানেননি।


তাজুল ইসলামের অভিযোগ, বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করার পরও অপরাধীরা পুলিশকেও তোয়াক্কা করছে না। বরং তাজুল ইসলামকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করতে তারা উল্টো আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে দেশের মাটিতে এমন জঘন্য চাঁদাবাজি ও হয়রানির শিকার হওয়ায় তিনি এখন চরম হতাশ ও ভীত।


‎‎এলাকাবাসী বলছেন, নিজের কেনা জায়গায় ড্রেন নির্মাণ করতে বাধা দেওয়া এবং ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করা সম্পূর্ণ বেআইনি। তারা অবিলম্বে এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের হাত থেকে প্রবাসীকে মুক্ত করতে এবং পানিবন্দি অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামুনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোনকল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। যার কারণে তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
বন্দরে ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় ড্রেন করতে পারছেন না প্রবাসী তাজুল
0:00 / 0:00
1x