পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটায় জাফর এক্সপ্রেসের একটি শাটল ট্রেনকে লক্ষ্য করে চালানো ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে।
রোববারের (২৪ মে) এই রক্তক্ষয়ী হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৮২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল আনুমানিক ৮টা বেজে ৫ মিনিটে কোয়েটা সেনানিবাস থেকে ট্রেনটি রওনা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিনহুয়া নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে, শাটল ট্রেনটিতে মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন, যারা ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। শক্তিশালী এই বিস্ফোরণের ধাক্কায় ট্রেনের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে এবং দুটি বগিতে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। আগুনের তীব্রতায় ট্রেনের আশপাশে থাকা বেশ কিছু বেসামরিক যানবাহনও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর কাজ শুরু করে। আহতদের মধ্যে ৫৭ জনকে কোয়েটার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ২৫ জনকে সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এটি একটি সুপরিকল্পিত আত্মঘাতী হামলা ছিল। বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলাকারী শাটল ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে এই বিস্ফোরণ ঘটায়। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় প্রায় ৭০ কেজিরও বেশি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে, যার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো পুরো এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে এবং হামলার নেপথ্যে থাকা চক্রটিকে চিহ্নিত করতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।
সূত্র: সিনহুয়া।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটায় জাফর এক্সপ্রেসের একটি শাটল ট্রেনকে লক্ষ্য করে চালানো ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে।
রোববারের (২৪ মে) এই রক্তক্ষয়ী হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৮২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল আনুমানিক ৮টা বেজে ৫ মিনিটে কোয়েটা সেনানিবাস থেকে ট্রেনটি রওনা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিনহুয়া নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছে, শাটল ট্রেনটিতে মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ছিলেন, যারা ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়ি ফিরছিলেন। শক্তিশালী এই বিস্ফোরণের ধাক্কায় ট্রেনের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে এবং দুটি বগিতে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। আগুনের তীব্রতায় ট্রেনের আশপাশে থাকা বেশ কিছু বেসামরিক যানবাহনও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ঘটনার পরপরই উদ্ধারকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর কাজ শুরু করে। আহতদের মধ্যে ৫৭ জনকে কোয়েটার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ২৫ জনকে সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এটি একটি সুপরিকল্পিত আত্মঘাতী হামলা ছিল। বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলাকারী শাটল ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে এই বিস্ফোরণ ঘটায়। বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলায় প্রায় ৭০ কেজিরও বেশি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে, যার কারণে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো পুরো এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে এবং হামলার নেপথ্যে থাকা চক্রটিকে চিহ্নিত করতে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে।
সূত্র: সিনহুয়া।

Safari-র নিচের Share (⬆) বাটনে চাপুন, তারপর "Add to Home Screen" বেছে নিন।
আপনার মতামত লিখুন