দৈনিক সোজা সাপটা

বন্দরে চাঞ্চল্যকর ২ সন্তানের জনক জুয়েল (৪৩) হত্যা মামলায় ধৃত তানজিদ (২০) হত্যাকান্ডের দায় স্বিকার করে বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে।

জুয়েল হত্যা: আদালতে তানজিদের জবানবন্দি



জুয়েল হত্যা: আদালতে তানজিদের জবানবন্দি
জুয়েল হত্যা: আদালতে তানজিদের জবানবন্দি

বন্দরে চাঞ্চল্যকর ২ সন্তানের জনক জুয়েল (৪৩) হত্যা মামলায় ধৃত  তানজিদ (২০) হত্যাকান্ডের দায় স্বিকার করে বিজ্ঞ  আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। গত শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে হত্যাকান্ডের দায় স্বিকার করে সে এ জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দি প্রদানকারি জুয়েল হত্যা মামলার আসামী তানজিদ বন্দর থানার ২১ নং ওয়ার্ডের সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকার আতিকুজ্জামান ওরফে আশিক মিয়ার ছেলে।

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই সোহেল রানা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে ৯ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও আরো ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বন্দর থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।  যার মামলা নং- ৩৩(৫)২৬ ধারা-  ১৪৪/.৪৪৭/ ৪৪৮/ ৪২৭/ ৩০২/ ১০৯/.৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০। এর আগে  গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় বন্দর থানার মদনগঞ্জস্থ শান্তিনগরস্থ   শীতলক্ষ্যা নদীরপাড়স্থ সেলিম মোল্লার জমিতে  এ  হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

হত্যা মামলার আসামীরা হলো, বন্দর থানার ১৯ নং ওয়ার্ডের মদনগঞ্জ সৈয়ালবাড়ি ঘাট এলাকার আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে সিমান্ত (২৪) একই এলাকার নাদিম মিয়ার ছেলে রাকিবুল ইসলাম (২৩) একই এলাকার গুন্ডা খোকন (৩৮) একই এলাকার ইসমাঈল মিয়ার ছেলে ইশাত (২৩) ও একই এলাকার ইনসান (২৪) একই থানার মদনগঞ্জ শান্তিনগর এলাকার মোশারফ মিয়ার ছেলে ফাহিম (২২) একই এলাকার মৃত রফিক মিয়ার ছেলে আশিক (২৪) ও তাওলাদ মিয়ার ২ ছেলে টিটু (৩৫) ও আল আমিন (৪২)। হত্যাকান্ডের পর থেকে ঘাতকরা গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য গাডাকা দেয়।

মামলার বাদী সূত্রে জানা গেছে, নিহত জুয়েল একজন ব্যবসায়ী। আমার ভাইয়ের সাথে একই এলাকার তাওলাদ মিয়ার ২ ছেলে মামলার ৮নং আসামী টিটু ও তার বড় ভাই আল আমিনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল। হত্যাকান্ডের ঘটনার কিছু দিন পূর্বে ৮নং বিবাদী টিটু ও ৯নং বিবাদী আল আমিনসহ অন্যান্য আসামীগন আমার ছোট ভাইকে মারধর করার হুমকি দামকি প্রদর্শনসহ নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল। এর ধারাবাহিকতা গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আমার ছোট ভাই জুয়েলকে বাসা  থেকে ডেকে নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর সেলিম মোল্লার জমিতে  ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে  হত্যা করে পালিয়ে যায়।

ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে গত বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে তানজিদ (২০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গত শুক্রবার তাকে ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে ধৃত তানজিদ  আদালতে হত্যা দায় স্বিকার করে জবানবন্দি প্রদান করে। এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক সোজা সাপটা

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


জুয়েল হত্যা: আদালতে তানজিদের জবানবন্দি

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

বন্দরে চাঞ্চল্যকর ২ সন্তানের জনক জুয়েল (৪৩) হত্যা মামলায় ধৃত  তানজিদ (২০) হত্যাকান্ডের দায় স্বিকার করে বিজ্ঞ  আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছে। গত শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে বিজ্ঞ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে হত্যাকান্ডের দায় স্বিকার করে সে এ জবানবন্দি প্রদান করে। জবানবন্দি প্রদানকারি জুয়েল হত্যা মামলার আসামী তানজিদ বন্দর থানার ২১ নং ওয়ার্ডের সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকার আতিকুজ্জামান ওরফে আশিক মিয়ার ছেলে।

এ ব্যাপারে নিহতের বড় ভাই সোহেল রানা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে ৯ জনের নাম উল্লেখ্য করে ও আরো ১০/১২ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বন্দর থানায় এ হত্যা মামলা দায়ের করেন।  যার মামলা নং- ৩৩(৫)২৬ ধারা-  ১৪৪/.৪৪৭/ ৪৪৮/ ৪২৭/ ৩০২/ ১০৯/.৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০। এর আগে  গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় বন্দর থানার মদনগঞ্জস্থ শান্তিনগরস্থ   শীতলক্ষ্যা নদীরপাড়স্থ সেলিম মোল্লার জমিতে  এ  হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

হত্যা মামলার আসামীরা হলো, বন্দর থানার ১৯ নং ওয়ার্ডের মদনগঞ্জ সৈয়ালবাড়ি ঘাট এলাকার আবুল হোসেন মিয়ার ছেলে সিমান্ত (২৪) একই এলাকার নাদিম মিয়ার ছেলে রাকিবুল ইসলাম (২৩) একই এলাকার গুন্ডা খোকন (৩৮) একই এলাকার ইসমাঈল মিয়ার ছেলে ইশাত (২৩) ও একই এলাকার ইনসান (২৪) একই থানার মদনগঞ্জ শান্তিনগর এলাকার মোশারফ মিয়ার ছেলে ফাহিম (২২) একই এলাকার মৃত রফিক মিয়ার ছেলে আশিক (২৪) ও তাওলাদ মিয়ার ২ ছেলে টিটু (৩৫) ও আল আমিন (৪২)। হত্যাকান্ডের পর থেকে ঘাতকরা গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য গাডাকা দেয়।

মামলার বাদী সূত্রে জানা গেছে, নিহত জুয়েল একজন ব্যবসায়ী। আমার ভাইয়ের সাথে একই এলাকার তাওলাদ মিয়ার ২ ছেলে মামলার ৮নং আসামী টিটু ও তার বড় ভাই আল আমিনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পূর্ব থেকেই বিরোধ চলছিল। হত্যাকান্ডের ঘটনার কিছু দিন পূর্বে ৮নং বিবাদী টিটু ও ৯নং বিবাদী আল আমিনসহ অন্যান্য আসামীগন আমার ছোট ভাইকে মারধর করার হুমকি দামকি প্রদর্শনসহ নানা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিল। এর ধারাবাহিকতা গত মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আমার ছোট ভাই জুয়েলকে বাসা  থেকে ডেকে নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর সেলিম মোল্লার জমিতে  ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে  হত্যা করে পালিয়ে যায়।

ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, সিসি ক্যামেরা ফুটেজ সংগ্রহ করে গত বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনাকান্দা এনায়েতনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে তানজিদ (২০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গত শুক্রবার তাকে ১৬৪ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করলে ধৃত তানজিদ  আদালতে হত্যা দায় স্বিকার করে জবানবন্দি প্রদান করে। এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।



দৈনিক সোজা সাপটা

সম্পাদক :
আবু সাউদ মাসুদ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
জুয়েল হত্যা: আদালতে তানজিদের জবানবন্দি
0:00 / 0:00
1x