উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
ফতুল্লা, স্টাফ রিপোর্টার, ফতুল্লা ||
ঢাকা-নারায়নগঞ্জ লিংক রোডে শ্রমিক আন্দোলন চলাকালে প্রাইভেট কারে থাকা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কে ধাওয়া করেছেসরকারদলীয় নেতা কর্মীরা।সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের দাবী প্রাইভেটকারে থাকা ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের হাতে অস্ত্র ছিলো। তাদের উদ্দেশ্য হয়তো খারাপ ছিলো। তারা শিবু মার্কেট এলাকায় আন্দোলনরত শ্রমিকদের উপর হয়তো হামলা চালিয়ে ক্ষতিসাধণ করে বিএনপি নেতা কর্মীদের ওপর দায় চাপাতো। কিন্ত বিএনপি নেতা -কর্মীরা তাদেরকে দেখে ফেলে ধাওয়া করায় তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়নি। ঘটনার দুপুর ২ টা ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের সময় ঢাকা -নারায়নগঞ্জ লিংক রোডের শিবু মার্কেটের পূর্ব দিকে পেট্রোল পাম্মের সামনে।প্রতক্ষদর্শীদের বর্ণনা মতে, আন্দোলনরত শ্রমিকরা তখন লিংক রোড সংযুক্ত পোস্ট অফিস- শিবু মার্কেট সরু রাস্তায় অবস্থান করছিলো। পুলিশি বাধার কারনে শ্রমিকরা তখনো ঢাকা-নারায়নগঞ্জ লিংক রোডে উঠতে পারেনি। তখন বিএনপি নেতা কর্মীরা ওভার ব্রিজের নিচ দিয়ে চাষাড়াগামী ঢাকা-নারায়নগঞ্জ লিংক রোডের পূর্ব পাশে পেট্রোল পাম্পের দিকে হেটে যাচ্ছিলো। এমন সময় ওভার ব্রিজের ওপর দিয়ে নিল রংয়ের একটি প্রাইভেট কার রং সাইড দিয়ে খুব ধীরে ধীরে ঐ একই সড়ক দিয়ে নিচে নামে। ঠিক সে সময়টাতেই বিএনপি নেতাকর্মীরা ব্রিজের নিচের শেষ ভাগে পৌছে গিয়েছিলো। তখন নারায়নগঞ্জ -৫ আসনের সংসদ সদস্যের পুত্র আবু কাউছার আশার চোখ পরে রং সাইড দিয়ে আসা প্রাইভেট কারটি। তখন প্রাইভেট কারটিকে থামানোর সংকেত দিয়ে গাড়ীটির ভিডিও করতে বলে। এসময় গাড়ীটির ভিতর থেকে এক যুবক মাথা বের করলে কৃষক দল নেতা জুয়েল আরমান যুবকটিকে চিনে ফেলে। তখন জুয়েল আরমান সহ তার সহোযোগিরা দৌড়ে প্রাইভেট কারটির পিছু নেয়। কিন্ত গাড়ীটির গতি বাড়িয়ে রং সাইড দিয়েই সাইনবোর্ডের দিকে চলে যায়। এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা কৃষক দলের সভাপতি জুয়েল আরমান জানান, " আশা ভাই প্রথমে গাড়ীটিকে দেখে। গাড়ীটির গতিবিধি সন্দেহ হলে তার অনুসারীদের কে সামনে গিয়ে গাড়ীটি থামাতে বলেন সেই সাথে ভিডিও করার নির্দেশ দেন। ধীর গতিতে চলা প্রাইভেট কারটি তখন স্প্রিড বাড়িয়ে দেয়।প্রাইভেট কারটির সামনের সিটে বসা যুবকটি মাথা বের করলে তিনি দেখেই চিনতে পারেন। সামনের সিটে আসা যুবকটি তারই এলাকার ছাত্রলীগ নেতা আল আমিন বিন কবির। তখন তিনি দৌড়ে গাড়ীর পিছু নিলে তার দিকে পিস্তল তাক করে আল আমিন বিন কবির। তবে প্রাইভেটকারটিতে কতোজন বা কে কে ছিলো তা নিশ্চিত করা যায়নি বলে তিনি জানান। তিনি দাবী করেন, তাদের উদ্দেশ্য ভালো ছিলোনা। তারা হয়তো শ্রমিকদের ওপর হামলা চালিয়ে ক্ষতিসাধন করে বিএনপির ওপর দোষ চাপাতো বা শ্রমিক আন্দোলনটাকে বড় ইস্যুতে দাড় করাতো। এ বিষয়ে নারায়নগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও এমপি পুত্র আবু কাউছার আশা জানান,উল্টো পথ দিয়ে প্রাইভেট কারটি ধীর গতিতে আসছিলো এবং সামনের সিটে বসা ছেলেটির চাহনী তার সন্দেহের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তখন তিনি তার সাথে থাকা কর্মীদের নির্দেশ দেন গাড়ীর বিডিও করতে এবং সম্ভব হলে থামাতে। সাথে থাকা কয়েকজন দ্রুত গাড়ীটির দিকে অগ্রসর হলে সামনের সিটে বসা ছেলেটি মাথা বের করে।তখন ফতুল্লার জুয়েল আরমান সহ কয়েকজন দৌড়ে গাড়ীর পিছু নেয়। গাড়ীটি তখন ঐ উল্টো পথ দিয়েই সাইনবোর্ডের দিকে চলে যায়। তবে তিনি ছেলেটিকে চিনতেন না। তবে জুয়েল আরমান সহ আরো কয়েকজন জানায় যে ছেলেটি ফতুল্লার ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত আল আমিন বিন কবির। জানা যায়, আল আমিন বিন কবিরের বাড়ী ফতুল্লা থানার শারজাহান রোলিং মিল এলাকায়। ৫ আগস্টের পর সে কুয়েত চলে যায়। আগে থেকই সে অয়ন ওসমান অনুসারী ছিলো এবং ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো। সে সময় বর্তমান সময়ের মতো সক্রিয় ছিলোনা। ৫ আগস্টের থেকে বেশ সক্রিয় হয়ে উঠে। ফেসবুকে সব সময় একটিভের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলো। ফতুল্লা নারায়নগঞ্জে বিভন্ন মিছিলে তার ভুমিকা ছিলো। একই সাথে অয়ন ওসমান এবং কাউছারের সাথে তার ঘনিস্ঠতাটাও বেশ বৃদ্ধি পায়। জেলা ছাত্রলীগ কমিটির সভাপতি প্রার্থী হিসেবে তিনি আলোচনার শির্ষে রয়েছ।