উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
স্টাফ রিপোর্টার ||
নারায়ণগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ১৭ বছর বয়সী পোশাক শ্রমিক মো. রাসেলকে গুলি করে হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ বিচারক আবু শামীম আজাদের আদালতে দুজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল কালাম আজাদ জাকির।তিনি বলেন, নিহত রাসেলের বাবা ও মামলার বাদী পিন্টু রহমান এবং প্রত্যক্ষদর্শী দেওভোগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ সাক্ষ্য দেন। তাদের জেরাও করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী।রাসেল হত্যা মামলায় গত বছরের অগাস্টে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমানসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন পিবিআই পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান।অভিযুক্তদের মধ্যে শামীম ওসমানের ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন, ভাতিজা আজমেরী ওসমান, শ্যালক তানভীর আহমেদ টিটু, বেয়াই (ছেলের শ্বশুর) ফয়েজউদ্দিন লাভলু, ঘনিষ্ঠ অনুসারী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা, যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজামও রয়েছেন।পিপি আবুল কালাম আজাদ বলেন, আদালত দুজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন। সাক্ষীদের বক্তব্য অনুযায়ী, শামীম ওসমান তার দলবল নিয়ে রাসেলকে গুলি করে হত্যা করেন। মামলার রায়ে রাসেলের বাবা আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছেন।সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এজলাসে মামলার সাত অভিযুক্ত উপস্থিত ছিলেন। শামীম ওসমানসহ বাকিরা পলাতক রয়েছেন বলেও জানান তিনি।আসামিপক্ষের আইনজীবী সাইদুর রহমান বলেন, আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে এজাহারনামীয় আসামিদের রাসেল হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। জেরার সময় বাদী বলেছেন, পুলিশের লেখা এজাহারে তিনি শুধু স্বাক্ষর করেছেন। এ মামলায় ১৪ ডিসেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন হিসেবে ধার্য করা হয়েছে।মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া মো. রাসেল গুলিবিদ্ধ হন। তিনদিন পর ২২ জুলাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।রাসেলের গ্রামের বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভোলাগাড়ি গ্রামে। তিনি নারায়ণগঞ্জ শহরের একটি হোসিয়ারি কারখানার শ্রমিক ছিলেন। ওই বছরের ২৭ অগাস্ট সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা পিন্টু রহমান।