উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আবু সাউদ মাসুদ, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
সোজাসাপটা রিপোর্টজ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে নারায়ণগঞ্জের সবজির বাজারে। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে বাড়তি দামে সবজি বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। শীত মৌসুম ঘনিয়ে এলেও বাজারে সবজির দাম কমার লক্ষণ নেই। অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে শিম, বেগুন ও কাঁচা মরিচের মতো কিছু সবজির দাম ক্রেতাদের বাড়তি চাপে ফেলেছে।শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ শহরের দিগুবাবুর বাজারে সবজি কিনতে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে প্রয়োজনীয় সবজি কিনতে এসে অনেক ক্রেতাকেই হিসাব করে পণ্য নিতে হচ্ছে। আগের তুলনায় পরিমাণ কমিয়ে বাজার করার কথা জানিয়েছেন কেউ কেউ।বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়। বেগুনের দাম কেজিপ্রতি ১০০ টাকা। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে। গাজরের কেজি ১৪০ টাকা। করলা, ঢেঁড়স, শসা, ঝিঙা ও বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি দরে। পটল, কাকরোল ও ধুন্দুলের কেজি ৬০ টাকা। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি, লাউয়ের দাম প্রতি পিস ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা।বাজারে সবজির দাম বেশি থাকায় ক্ষোভ জানিয়েছেন ক্রেতারা। তাঁদের ভাষ্য, শীতের আগমনে এ সময়ে সবজির দাম ধীরে ধীরে কমার কথা থাকলেও বাস্তবে তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। পরিবারের দৈনন্দিন বাজারের খরচ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষকে।ক্রেতাদের অভিযোগ, আগে যে পরিমাণ সবজি কেনা সম্ভব হতো, এখন একই টাকায় তার অর্ধেকও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী সবজি কেনার বদলে অনেককে পরিমাণ কমিয়ে সংসারের খরচ সামলাতে হচ্ছে।বিক্রেতারা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। পাশাপাশি বৃষ্টি ও বাজারে সরবরাহের ঘাটতির কারণে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী। তাঁদের মতে, শীতকালীন সবজির নতুন চালান বাজারে আসতে শুরু করলে সরবরাহ বাড়বে। তখন দাম কিছুটা কমে আসতে পারে।তবে ক্রেতাদের প্রত্যাশা, পরিবহন খরচ ও সরবরাহ পরিস্থিতির অজুহাতে যেন সবজির বাজার দীর্ঘদিন চড়া না থাকে। নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে বাজার তদারকি জোরদারের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।