উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আবু সাউদ মাসুদ, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
পাঁচ দিনের সফরে এক শহরে অবস্থান করলেও একাধিক কূটনৈতিক ফ্রন্টে ব্যস্ত সময় পার করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, রোহিঙ্গা সংকট এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবাবিষয়ক বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। সফরের শেষ দিনেও ব্যস্ত সময় পার করেন প্রধানমন্ত্রী। জেপি মরগান আয়োজিত ওয়াল স্ট্রিটের ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেন তিনি। বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রে ছিল বাংলাদেশের ব্যবসা, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা। শুক্রবার নিউইয়র্ক সময় জুমার নামাজের পর ম্যানহাটনের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে প্রবাসী বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বাংলাদেশের সরকারপ্রধান। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের স্থায়ী মিশনে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সবশেষে যুক্তরাষ্ট্র সময় রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ছাড়েন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে সরকারপ্রধানের।