উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আবু সাউদ মাসুদ, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা আনিছুর রহমান ও রুহুল আমিন শিকদারের ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় দলীয় নেতা মোহন আহম্মেদ মমিনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছে ফতুল্লা থানা বিএনপি। হামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার প্রাথমিক সদস্য পদসহ বিএনপির সকল পদ স্থগিত করা হয়েছে।বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম টিটু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল বারী ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ফতুল্লার একটি এলাকায় গাড়িকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনাকে ঘিরে বিএনপির দুই নেতা আনিছুর রহমান ও রুহুল আমিন শিকদারের সঙ্গে কয়েকজনের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।আনিছুর রহমান ও রুহুল আমিন শিকদারের অভিযোগ, রাস্তার মাঝখানে একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে যানজট নিরসনের পাশাপাশি গাড়িচালককে মারধরের কারণ জানতে চান। এ সময় আলতাফ নামে এক ব্যক্তি আনিছুর রহমানকে চড় মারেন বলে অভিযোগ করা হয়। এর প্রতিবাদ করলে রুহুল আমিন শিকদারের ওপরও হামলা চালানো হয়।ভুক্তভোগীদের দাবি, এরপর মোহন, আলতাফসহ তাদের সহযোগীরা দুই নেতার ওপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করেন। খবর পেয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে হামলায় জড়িতরা সেখান থেকে সরে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে ফতুল্লা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। দলের দুই নেতার ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে।ফতুল্লা থানা বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, হামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মোহন আহম্মেদ মমিনের বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে।এর আগে ঘটনার পর বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে থানা বিএনপির নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন। দুই শীর্ষ নেতার ওপর হামলার অভিযোগের পর দলীয় পর্যায়ে মোহন আহম্মেদ মমিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় স্থানীয় বিএনপিতে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন হামলার ঘটনায় আইনগতভাবে কোনো অভিযোগ বা মামলা করা হয় কি না, সেদিকেও নজর রয়েছে স্থানীয় নেতাকর্মীদের।