উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আবু সাউদ মাসুদ, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের প্রচারসামগ্রী প্রস্তুতের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগানসংবলিত ৭০টি কালো টি-শার্ট, ৪০টি লেমিনেটেড স্টিকার এবং স্টিকারবিহীন আরও ১০টি কালো টি-শার্ট জব্দ করা হয়েছে।রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর ১টা ১০ মিনিটের দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন ৫৫/২৭ এসএম মালেহ রোডের রিভারভিউ কমপ্লেক্সের আন্ডারগ্রাউন্ডে অবস্থিত জিএম ট্রেডার্সের ছাপাখানায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় আরও ৬ থেকে ৭ জন পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন নিতাইগঞ্জ এলাকার মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে শিহাব আহম্মেদ আরাফাত (২৮), বি কে রোড এলাকার জামির হোসেন রনির ছেলে মো. জিহাদ হোসেন ওরফে আলিফ (১৯), দেওভোগ-পাক্কা রোড এলাকার আজম হোসেন খানের ছেলে মো. সামির হোসেন খান (২৬) এবং হৃদম প্লাজার বাসিন্দা জিএম ট্রেডার্সের মালিক আবুল খায়েরের ছেলে মো. রাকিবুল হাসান (৩২)।গ্রেপ্তার জিহাদ হোসেন ওরফে আলিফের বাবা জামির হোসেন রনি নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক।পুলিশ জানায়, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাজেদুর রহমানের নির্দেশনায় এসআই মো. রমজান হোসেন ও এসআই মো. সেলিম মিয়ার নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ছাপাখানায় অভিযান পরিচালনা করে।পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও অঙ্গসংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা, প্রচার-প্রচারণা এবং সংগঠনের কার্যক্রমে সহায়তার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।অভিযানকালে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের হেফাজত এবং ঘটনাস্থল থেকে পলাতক ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া অবস্থায় শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগানসংবলিত ৭০টি কালো গোলগলা টি-শার্ট, ৪০টি লেমিনেটেড স্টিকার এবং স্টিকারবিহীন ১০টি কালো গোলগলা টি-শার্ট উদ্ধার করা হয়। পরে যথাযথ জব্দ তালিকার মাধ্যমে এসব আলামত জব্দ করা হয়েছে।পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য ও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা আলামতের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরস্পর যোগসাজশে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের প্রচার-প্রচারণামূলক সামগ্রী প্রস্তুতের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ (সংশোধনী/১৩)-এর ৮, ৯(৩), ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে।পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশি অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।