উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আবু সাউদ মাসুদ, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ‘জলাবদ্ধতামুক্ত নারায়ণগঞ্জ’ গড়ার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন জামায়াত সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মাওলানা আবদুল জব্বার। নির্বাচিত হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নগরীর জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।রোববার (২৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে নিজের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসেবে জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানান মাওলানা আবদুল জব্বার।তার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে পাঁচ বছর মেয়াদি ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন, নগরীর দখল হয়ে যাওয়া খাল উদ্ধার ও পুনঃখনন, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার এবং জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য পৃথক ‘জলাবদ্ধতা পর্যবেক্ষণ সেল’ গঠন।মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়ে। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাল দখল ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবকে এ সমস্যার অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।তিনি বলেন, শুধু বর্ষা মৌসুমে সাময়িকভাবে পানি অপসারণ নয়, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে পুরো নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে হবে। এজন্য পাঁচ বছরের একটি সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।ইশতেহারে খাল উদ্ধারের পাশাপাশি দখল হয়ে যাওয়া ও ভরাট খালগুলো পুনঃখননের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে নগরীর ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা তুলে ধরেন।জলাবদ্ধতার সমস্যা কোথায় তৈরি হচ্ছে, কোন এলাকায় পানি জমছে এবং দ্রুত কী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন—এসব বিষয়ে নিয়মিত নজরদারির জন্য ‘জলাবদ্ধতা পর্যবেক্ষণ সেল’ গঠনের পরিকল্পনাও জানিয়েছেন জামায়াত সমর্থিত এই মেয়র প্রার্থী।মাওলানা আবদুল জব্বার বলেন, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে নারায়ণগঞ্জ নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। তার নির্বাচনী ইশতেহারে নাগরিক দুর্ভোগ কমানো এবং একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।