উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
আবু সাউদ মাসুদ, সম্পাদক ও প্রকাশক ||
নতুনধারা বাংলাদেশ (এনডিবি)-এর কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, প্রাণনাশের হুমকি এবং দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা ও নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে দলটি।বুধবার (২২ জুলাই) সকালে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির নেতারা এসব অভিযোগ করেন।সংবাদ সম্মেলনে এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে নারায়ণগঞ্জে দলটির নেতাকর্মীরা ধারাবাহিকভাবে হামলা ও হুমকির শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে স্থানীয় নেতারা লাগাতার হুমকির মুখে রয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।তিনি বলেন, ফতুল্লার এক স্থানীয় নেতা ও তার সহযোগীদের হামলায় এনডিবির কেন্দ্রীয় সদস্য জামান সরকার আহত হন। এ ঘটনায় গত ১৮ জুলাই ফতুল্লা থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করা হয়নি। অভিযোগ দায়েরের পরও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোয়াজ্জেম হোসেন দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেননি বলেও দাবি করেন তিনি।মোমিন মেহেদী আরও বলেন, সারাদেশে দলটির ১১৪টি উপজেলা ও ৪৪টি জেলা শাখার নেতাকর্মীরাও হুমকির মুখে রয়েছেন। এমনকি তার নিজ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে এনডিবির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নূরজাহান নীরা অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় গত ১৮ জুলাই সকালে একদল ব্যক্তি তার চেম্বারে গিয়ে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। অন্যথায় তাকে মারধর ও তার চেম্বার ভাঙচুরের হুমকি দেওয়া হয়। তার স্বামী ও সন্তানকেও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা বলেন, নারায়ণগঞ্জের যুগ্ম আহ্বায়ক জামান সরকারের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি কোনো গণতান্ত্রিক দেশে গ্রহণযোগ্য নয়। এছাড়া দলটির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে হামলাকারী ও হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং এনডিবির নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনডিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজী মনসুর, আফতাব মণ্ডল ও হাশেম মোল্লা এবং মানবাধিকার বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া দেওয়ান প্রীতিসহ দলটির অন্যান্য নেতারা।শর বাসিন্দাদের প্রতি চরম বৈষম্য।স্থানীয় বাসিন্দাদের এ অংশটির দাবি, কাশীপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থে এই খন্ডিত বিভাজনের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। যদি প্রশাসনিক বা উন্নয়নের স্বার্থে সিটি কর্পোরেশনের সীমানা বাড়ানো অপরিহার্য হয় তাহলে আংশিক নয় পুরো কাশীপুর ইউনিয়নকেই সিটির সঙ্গে যুক্তেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।