উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
Daily Soja Sapta, সম্পাদক ||
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার শাহী মসজিদ এলাকায় একটি ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্বামী ও সন্তানকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এক নারী। ২১জুন রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপারের কাছে দেওয়া এক আবেদনে তিনি মামলার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অভিযোগকারী সোনিয়া আক্তার জানান, সম্প্রতি বন্দর এলাকার শাহী মসজিদ এলাকায় একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনায় দায়ের করা মামলায় (মামলা নং: ৩৫/৫/২০২৬) তার স্বামী মোঃ হাসান ও ছেলে সিমান্তকে আসামি করা হয়েছে। অথচ ঘটনার সাথে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি।সোনিয়া আক্তার বলেন, ‘ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে যাদের ছিনতাই করতে দেখা গেছে, তাদের নাম মামলার এজাহারে নেই। অন্যদিকে, ফুটেজে আমার স্বামী বা ছেলের কোনো উপস্থিতি নেই। অথচ কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই তাদের মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’পরিবারটির অভিযোগ, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত না করে তড়িঘড়ি করে মামলাটি করা হয়েছে। এতে করে তারা চরম সামাজিক ও আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। সোনিয়া আক্তার বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার ছেলে সিমান্ত সরকারি কদম রসূল কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার্থী এবং তার স্বামী একজন রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী। তারা ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন বলেও জানান তিনি।এ বিষয়ে সোনিয়া আক্তার বলেন, ‘আমি একজন মানবাধিকারকর্মী হিসেবে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করি। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং প্রকৃত দোষীরা শনাক্ত হবে। আমি আমার স্বামী ও সন্তানসহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের এই হয়রানি থেকে মুক্তি চাই।’দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং নির্দোষদের হয়রানি বন্ধে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।