উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
Daily Soja Sapta, সম্পাদক ||
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন পশুর হাটে উঠেছে কোরবানির পশু। সদর উপজেলার ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ট্রাক ও ট্রলারভর্তি গরু, মহিষ ও ছাগল নিয়ে হাটে আসছে খামারি ও ব্যবসায়ীরা। তবে ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম হলেও ধীরে ধীরে জমে উঠছে কোরবানির হাট। এছাড়াও বন্দর, রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজারের কয়েকটি হাটে ইতোমধ্যে পশুর সরবরাহ বেড়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলা থেকে পশু আসতে শুরু করেছে। স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি বাইরের ব্যবসায়ীরাও হাটে জায়গা নিতে শুরু করেছেন।নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবার বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী পশুর হাট ইজারা কার্যক্রমের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ৯৬ টি পশুর হাট বসিয়েছে। সিরাজগঞ্জ থেকে ৯ ঘণ্টা নৌপথ পাড়ি দিয়ে ফতুল্লার হাটে বিভিন্ন আকারের ৬১টি গরু তুলেছেন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, “এবার খামারে অনেক যত্ন করে গরু প্রস্তুত করেছি। এখনো তেমন ক্রেতা কম, তবে ঈদের ৩ থেকে ৪ দিন আগে বেচাকেনা বাড়বে বলে আশা করছি।”হাটে ঘুরতে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, তারা আপাতত পশুর দাম ও মান যাচাই করছেন। দাম সহনীয় থাকলে ঈদের কাছাকাছি সময়ে কোরবানির পশু কিনবেন।জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার নারায়ণগঞ্জে চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে। স্থানীয় খামারিদের পাশাপাশি উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকেও পশু আসছে জেলার বিভিন্ন হাটে। এদিকে হাটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকেরাও মাঠে কাজ করবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জাল টাকা শনাক্তকরণ ও যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাট কর্তৃপক্ষ। হাটগুলোতে এবার মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি থাকবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে বড় আকৃতির কিছু গরু ও মহিষও ইতোমধ্যে ক্রেতাদের নজর কাড়তে শুরু করেছে।